জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালের ৩ মেমুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামেতাঁর পারিবারিক নাম জাহানারা বেগম ওরফে জুড়ুসাত ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়পরে জুড়ুকে জাহান নামে ডাকা হতোপড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারেবাবার কাছেই তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরুশিক্ষা জীবনে তাঁর বাবা সব ধরনের উসাহ ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেনশিশুকাল থেকে তিনি ছিলেন খুবই চঞ্চল প্রকৃতিরদশ থেকে বারো বছর বয়স পর্যন্ত জাহানারার সময় কেটেছে কুড়িগ্রামে।…

বিস্তারিত

আতাউল গনি ওসমানী: মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক

 

১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি৭১সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধএই মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন আতাউল গনি ওসমানী। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিলো লাল-সবুজের পতাকা আবৃত একটি দেশযার নাম বাংলাদেশ আজ সেই সর্বাধিনায়কের ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী। লালা সালাম জানায় মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে।…

বিস্তারিত

আতাউল গনি ওসমানী: মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক

১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি৭১সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধএই মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন আতাউল গনি ওসমানী। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিলো লাল-সবুজের পতাকা আবৃত একটি দেশযার নাম বাংলাদেশ আজ সেই সর্বাধিনায়কের ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী। লালা সালাম জানায় মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে।…

বিস্তারিত

রাষ্ট্র শ্রেণী-বিশেষের হাতে ক্ষমতা বজায় রাখিবার যন্ত্র; ধনিক-সমাজে গণতন্ত্র শুধু ধনিকশ্রেণীর গণতন্ত্র, ইহার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাসমূহ প্রকৃতপক্ষে ধনিকদের জন্য, অন্য শ্রেণীর নিকট ইহা ধনিকশ্রেণীর গোপন একনায়কত্ব এবং ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা ধনিকশ্রেণীর শাসনের আর একটি রূপ- এই সকল বিষয় আমরা বিশদ আলোচনা করিয়াছিএখন শ্রমিকশ্রেণীর রাষ্ট্র সম্বন্ধে আলোচনা করিবধনিক রাষ্ট্রের কাজ যেমন ছলে, বলে, কৌশলে যে ভাবেই হউক না কেন ধনিকশ্রেণীর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা ও তাহা বজায় রাখা, সেইরূপ সর্বহারা বিপ্লবের পর যখন উপাদনের উপায়গুলি শ্রমিকদের হাতে আসিবে এবং সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হইবে তখন রাষ্ট্রের কাজ হইবে শ্রমিক শ্রেণীর ক্ষমতা কায়েম করা ও বজায় রাখা।…

বিস্তারিত

পুরোন দিনের কত কথাই না মনে পড়ে! কত কথাই না লিখতে ইচ্ছা করে । কিন্তু সবই লেখা যায়, না লেখা সম্ভব? সে যুগের কথা এ যুগের মানুষের কাছে গল্প বলে মনে হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই। মেদিনীমন্ডলে কংগ্রেস ও কৃষক সভা একযোগে কাজ করতো। সমাজের নিন্মস্তরের নিনপীড়িত মানুষদের সংগঠিত করাই ছিল সংগঠনদ্বয়ের উদ্দেশ্য। এ সগঠনের উৎসাহ ও উদ্যোগেই স্কুলে স্কুলে গড়ে উঠেছিল ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র সংগঠন। সুশীল ঘোষ ছিল এ ছাত্র সংগঠনের প্রধান কর্মী। এই সংগঠনদ্বয়ের প্রচেষ্টায় হিন্দু সমাজের ন্মিস্তরের শ্রেণীগুলোর মধ্যে এসেছিল এক নব জাগরণ। সংগঠনের কর্মীও তাদের নানাভাবে উৎসাহ দিতেন বেং নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার জনন্য ইঙ্গিত দিতেন। তাদের সংগঠিত করে তেলার প্রয়াস পেতেন। মাওয়া মেদিনী মন্ডলে ব্রাহ্মণদের বিপক্ষে নাপিত সম্প্রদায়ের বিদ্রোহ এই প্রচেষ্টারই ফল।…

বিস্তারিত

১৯ মে ১৯৩৩, আন্দামান সেলুলার জেলে অনশনরত বিপ্লবী মহাবীর সিংকে ফোর্সড ফিডিংজোর করে খাওয়ানোর নামে জেলখানার সেপাইরা তাঁকে মেরেই ফেলে। সেপাইরা কারা প্রকোষ্ঠে ঢুকে তাঁর বুকে, পেটে ও হাঁটুতে চেপে বসে, মাথাটা একজন সেপাইয়ের দুই পায়ের মাঝখানে ঠেসে ধরে, তারপর নাক দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় পুরু নল। মহাবীর সিং প্রতিরোধের আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। কালিপদ চক্রবর্তী আন্দামানে মহাবীর সিংয়ের সহবন্দী লিখছেন: হিংস্র সেপাইদল এতটাই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে যে, তাদের বর্বরতা ও জবরদস্তি চরমে ওঠে। কোনো রকম ভ্রুক্ষেপ না করে এমন জোরে তারা নল ঢুকিয়ে দেয় যে, তা গলনালি দিয়ে না ঢুকে শ্বাসনালিতে ঢুকে যায়।…

বিস্তারিত

পলাশীএকটি মাঠের নামমস্ত বড় সে মাঠআঁকাবাঁকা গঙ্গার তীরে অবস্থিতএই মাঠের তিন দিক জ়ুড়ে দেড় হাজার বিঘার জমির ঊপর রয়েছে এক বিশাল আমবাগানএর পূর্ব নাম ছিল লক্ষবাগওইখানে একসময় লক্ষ লক্ষ আমগাছ ছিল সেই কারণে কালক্রমে এর নাম হয়ে দাঁড়ায় আম্রকাননঅর্থাৎ পলাশীর আম্রকাননযেখানে বসে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবাহমান বাংলার স্বাধীনতাকে ১৭৫৭ সালে কেড়ে নেয়া হয়েছিল।…

বিস্তারিত

১৯৪৬-৪৭ সালে ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে তখনকার পূর্ববঙ্গ (বাংলাদেশ) ও পশ্চিমবঙ্গে যে তেভাগা সংগ্রাম হইয়াছিল তা ছিল যেমন বিরাট, তেমনি জঙ্গী৬০ লাখ দুঃস্থ ভাগচাষী হিন্দু, মুসলমান, উপজাতি মেয়ে-পুরুষ জীবনকে তুচ্ছ করিয়া ঐ সংগ্রামে ঝাঁপাইয়া পড়িয়াছিলেনবাংলার মাটি হিন্দু, মুসলমান উপজাতি মেয়ে-পুরুষ কৃষকের রক্তে লালে লাল হইয়া পৃথিবী বিখ্যাত এক কৃষক আন্দোলনের ইতিহাস সৃষ্টি হইয়াছেসারা পৃথিবীতে যতগুলি বিরাট বিরাট কৃষক আন্দোলন আজ পর্যন্ত হইয়াছে বাংলার তেভাগা আন্দোলন তাহার অন্যতম।…

বিস্তারিত

গোলাম মোস্তফার জন্ম বাংলা ১৩৪৮ সালের ২৪ অগ্রহায়ণ। বাবা জহিরউদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন আইনজীবী সহকারী। মা গৃহিনী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে মোস্তফাই ছিলেন সবার বড়। পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর তিনি ভর্তি হন মেলাপাঙ্গা মাদ্রাসায়। এখানে কিছুদিন পড়াশুনা করার পর তাঁকে ভর্তি করে দেয়া হয় দিনাজপুর জেলা স্কুলে। ১৯৫৮ সালে দিনাজপুর জেলা স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাশ করেন। এরপর ভর্তি হন সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। ১৯৬০ সালে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন এবং ১৯৬৩ সালে একই কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। তারপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা এমএ পাশ করেন।…

বিস্তারিত

কার্জন হল

 

১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় ও গভর্ণর জেনারেল জর্জ কার্জন কার্জন হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেনবঙ্গভঙ্গের পর প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তোলার জন্য কার্জন হল নির্মিত হয়েছিল টাউন হল হিসেবেকিন্তু  এই ধারনার সাথে একমত নন। শরীফউদ্দীন আহমদ এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন, এটি নির্মিত হয় ঢাকা কলেজের পাঠাগার হিসেবেএবং নির্মাণের জন্য অর্থ প্রদান করেন ভাওয়ালের রাজকুমার।…

বিস্তারিত

Subcategories

Page 3 of 4

© 2017. All Rights Reserved. Developed by AM Julash.

Please publish modules in offcanvas position.