সাটিয়াচরা গ্রামটি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেএ গ্রামটি আরো বিখ্যাত হয়ে আছে কৃষক নেতা খন্দকার আব্দুল বাকির জন্যখন্দকার আব্দুল বাকি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সাটিয়াচরা গ্রামে ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেনবাবা খন্দকার আব্দুল হাকিম ছিলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা হাইস্কুলের হেড মৌলভীখন্দকার আব্দুল হাকিমের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে তারা হলেন যথাক্রমে- জহুরুল হক (লাল মিয়া), মাহমুদা খাতুন, হালিমা খাতুন,…

বিস্তারিত

বাংলার কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম নির্মাতা ছিলেন আজন্ম বিপ্লবী রেবতী মোহন বর্মণ। ৬ মে ২০১০ সাল। মার্কসীয় তাত্ত্বিক রেবতী মোহন বর্মণের ৫৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হল। তিনি ১৯৫২ সালের ৬ মে মারা যান। জন্মেছিলেন ১৯০৩ সালে। বেঁচেছিলে মাত্র ৪৭ বছর। রেবতী বর্মণ। যার পুরো নাম রেবতী মোহন বর্মণ। তবে প্রায় অধিকাংশ মানুষ রেবতী বর্মণ নামেই জানে। তবে তাঁর নিজ গ্রামের মানুষদের কাছে রেবতীবাবু বলে পরিচিত ছিলেন। আর আমাদের কাছে সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ বইয়ের লেখক হিসেবে পরিচিত।…

বিস্তারিত

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করার জন্য যে সকল মহান ব্যক্তি, লড়াকু যোদ্ধা জীবন উৎসর্গ করেছেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস তাঁদের মধ্যে অন্যতমঅহিংসায় নয়, উদারতায় নয়, শক্তি প্রয়োগ করেই ব্রিটিশকে ভারত থেকে তাড়াতে হবে- এই মন্ত্রকে ধারণ করে আমৃত্যু লড়াই-সংগ্রাম চালিয়েছেন।…

বিস্তারিত

ক্ষুদিরাম বসুঃ ভারত উপমহাদেশের কিংবদন্তী বিপ্লবী_শেখ রফিক

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি/ হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী/ কলের বোমা তৈরি করে/ দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো/ বড়লাটকে মারতে গিয়ে/ মারলাম আরেক ইংল্যান্ডবাসী।/ শনিবার বেলা দশটার পরে/ জজকোর্টেতে লোক না ধরে মাগো/ হল অভিরামের দ্বীপ চালান মা ক্ষুদিরামের ফাঁসি/ দশ মাস দশদিন পরে/ জন্ম নেব মাসির ঘরে মাগো/ তখন যদি না চিনতে পারিস দেখবি গলায় ফাঁসি।…

বিস্তারিত

যতদূর মনে পড়ে ১৯৪৩- কোলকাতায় অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পার্টি সম্মেলনে প্রথম রবিদা জ্যোৎস্নাদির সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওই সময় রবিদার সাথে কথাবার্তা খুব কমই হয়েছিল তবে মহিলা ফ্যাকশন সভা উপলক্ষে জ্যোৎস্নাদির সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ হয়েছিলএরপর ১৯৪৫ক সালে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত সারা ভারত কৃষক সম্মেলন উপলক্ষে যখন আমি নেত্রকোনায় গিয়েছিলাম তখনই রবিদা জ্যোৎস্নাদিকে কাছে থেকে দেখার ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলার মেলামেশার সুযোগ পাইদুজনেই তখন সম্মেলনের নানা কাজে খুবই ব্যাস্ত।…

বিস্তারিত

সোমেন চন্দ : প্রথম ফ্যাসিবাদবিরোধী সাহিত্যিক শহীদ_ শেখ রফিক

সোমেন চন্দ। বাংলা সাহিত্যের তিন উদীয়মান তরুণ সাহিত্যিকের একজন। সুকান্ত কবি হিসেবে আর সোমেন চন্দ আধুনিক কথাশিল্পের স্থপতি হিসেবে এবং খান মোহাম্মদ ফারাবী উভয়কেই ধারণ করে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই তিন সাহিত্যিকের কেউ ২২ বছর বাঁচতে পারেননি। অর্থাৎ ২১শের ঘরে তাঁদের জীবনের সম্পাত্তি ঘটে। সোমেনকে হত্যা করা হয়। অন্য দুজন মরণব্যাধী যক্ষা ও ক্যান্সারে মারা যান।

তারুণ্যের গান, সৃষ্টির উম্মাদনা ও বিদ্রোহের অগ্নি জেলে সাহিত্যে বিপ্লব ঘটাতে চেয়েছিলেন সোমেন চন্দমানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে লিখেছিলেন, নিজস্ব একটি জীবনদর্শন না থাকলে সাহিত্যিক হওয়া যায় নাসোমেন চন্দ ছিল কমিউনিস্টসাহিত্যিক হিসেবেও তার রচনায় নানা ভাবে ফুটে উঠেছে কমিউনিজমের জয়ধ্বনি।…

বিস্তারিত

রংপুর অঞ্চলের একজন কমরেড মোহাম্মদ হোসেন। তিনি ২০০৯ সালের ২১ মে, আমাদের ছেড়ে চলে যান। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল নব্বই বছর বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনসহ তেভাগা আন্দোলনে রংপুর অঞ্চলের পার্টি কর্মীদের কর্মকাণ্ড, ত্যাগ-তিতিক্ষা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।…

বিস্তারিত

আকন্ঠ বিপ্লবী, দেশ জনদরদী সমাজ রাজনৈতিক মহলে সকলেরই নেতা, সকলেরই অভিভাবক, সকলের মোখলেস ভাই তিনি ২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল সকাল সাত ঘটিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ধক্যজনিত কারণে ৯১ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হওয়ার পর নিমিষের মধ্যেই ঝড়ের বেগে ঢাকার রাজনৈতিক মহলে তাঁর পার্টি কমিউনিস্ট পার্টির অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পরেতাঁর মৃত্যুর সংবাদ তার জন্মস্থান বগুড়ায় চলে আসেঅল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পরে সর্ব মহলেমৃত্যু সংবাদ পেয়ে ঢাকা বগুড়ায় এক হৃদয় বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়শোকের ছায়া নেমে আসে সর্ব মহলে।…

বিস্তারিত

শহীদ তাজুল : তুমি ফিরে এসো

শহীদ তাজুল : তুমি ফিরে এসো। বড় অসহায় আমরা! শ্রমিকরা। জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আজ আমরা বেঁচে থাকার স্বপ্নও ভুলে গেছি। প্রতিবাদহীন হয়ে পড়েছি। কারও প্রতি আমাদের বিশ্বাস, আস্থা ও ভালোবাসা জন্মে না। কেউই আমাদের জীবন বাঁচানোর জন্য পাশে এসে দাঁড়ায় না। আমাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়ার কেউ নেই। আমরা বড় অসহায়! তাই বলছি তুমি ফিরে এসো।…

বিস্তারিত

 সন্তোষ দার সাথে আমার পরিচয় আজ থেকে বত্রিশ বছর আগে, সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশেআমি তখন কৃষক নেতা জিতেন ঘোষের সাথে ঢাকা জেলা কৃষক সমিতির অফিসে (১৫৪/এ রেবতী মোহন দাস রোড, সুত্রাপুর) থাকি এবং কৃষক সমিতির কাজকর্ম করিতখন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছিল বিজয়নগরেসমিতির কাজে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলামবাসায় ফেরার সময় সন্তোষ দার সাথে দেখাতিনি রিকশা খুঁজছেন।…

বিস্তারিত
© 2017. All Rights Reserved. Developed by AM Julash.

Please publish modules in offcanvas position.