বিপ্লবী দীনেশ গুপ্ত: শেখ রফিক

ভারত উপমহাদেশে বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারতমাতা স্বাধীন হয়, তার মূলে যে সকল বিপ্লবী রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ঢাকার বিনয়-বাদল-দীনেশ অন্যতম বিপ্লবী।…

বিস্তারিত

বিপ্লবী বিনয় বসু : শেখ রফিক

১৯৩০ সালের ২৯ আগস্ট, সকাল ৯ টায় ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে নিহত হন বাংলার ইনস্পেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এফ জে লোম্যান এবং গুরুতর আহত হন ঢাকার পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মি. ই. হডসন। হাসপাতালে জেল পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট মি. বার্ট অসুস্থ ছিলেন। তাকে দেখতে লোম্যান হাসপাতালে গিয়েছিলেন। অসংখ্য পুলিশ সতর্ক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী করে লোম্যানকে গার্ড দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল।…

বিস্তারিত

টিটোর মতো সাহসী বীরের প্রয়োজন : রমেন্দ্র বর্মন

শহীদ সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটো এদেশের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচিতে আত্মহুতি দিয়েছিলেন। সম্প্রতি শহীদ আমিনুল হুদু টিটোর পিতা সৈয়দ শামসুল হুদা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠান সাপ্তাহিক একতা বরাবরে। সেখানে স্বৈরাচার পতনের পর দীর্ঘ ২১ বছর অতিক্রান্ত হলেও কোনো সরকারই এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের উদ্যোগ না নেয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তাদের আত্মদানকে উপেক্ষা করে, ক্ষমতার আন্দোলনকে প্রাধান্য দিয়েই বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তৎকালীন জোটের নেতা-নেত্রীগণ।’…

বিস্তারিত

সত্যেন সেন : মেহনতি মানুষের এক পরম সুহৃদ_গোলাম মুহাম্মদ ইদু

গত ২৮ মার্চ, ছিল সত্যেন সেনের জন্মশতবার্ষিকী। সত্যেন সেন ১৯০৭ সালের ২৮ মার্চ বিক্রমপুরে সোনারং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব চর্চাকারী ও ঢাকার প্রথম জাদুঘরের কিউরেটর প্রত্নতত্ত্ববিদ নলিনীকান্ত ভট্টশালীর বন্ধু। নলিনীকান্ত ভট্টশালী তাঁর প্রত্নতত্ত্বানুসন্ধানে বিক্রমপুরে এলে সোনারং-এর সত্যেন সেনদের বাড়িতে আসতেন। এবং তাঁর প্রতিভা পত্রিকাতে সত্যেন সেনের দিদিদের নিকট লেখা দেয়ার জন্য বলতেন। তাঁর মেজদি ইন্দুবালা ২টি লেখা ভট্টশালী মহাশয়ের পত্রিকার জন্য পাঠিয়েও ছিলেন। সত্যেন সেন তখন ছোট। তাঁর কাকা আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন ছিলেন শান্তিনিকেতনের সংস্কৃত বিভাগের অধ্য। চাকরিসূত্রে তাঁরা সবাই থাকতেন বিক্রমপুরের বাইরে। সত্যেন সেন থেকে যান এখানে। তাঁর অন্তর জড়িয়ে ছিল এদেশের কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের সাথে।…

বিস্তারিত

দেবেন সিকদারের বিপ্লবী জীবন : আনছার আলী দুলাল

উপমহাদেশের প্রখ্যাত কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড দেবেন সিকদার ছিলেন একজন দৃঢ় মনোবল সম্পূর্ণ ছাক্কা কমিউনিষ্ট। রাজনৈতিক জীবনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত মাফিক পদক্ষেপ, বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, মার্কসবাদী রাজনীতিতে স্বঘোষিত সমর্থক, কাজের মধ্যদিয়ে পার্টি সভ্য পদ লাভ, কর্মী থেকে পার্টি নেতৃত্ব সর্বপরি মার্কসীয় দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে মৃত্যুবরণ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপ ও ঘটনাই যেন তাকে একজন বিজ্ঞ কমিউনিষ্ট হিসেবে দাঁড় করিয়াছে।…

বিস্তারিত

মহাত্মা অশ্বিনীকুমার দত্ত : শেখ রফিক

একদিন বরিশাল ব্রাক্ষ্মসমাজ থেকে বক্তৃতা দিয়ে রাত ৯টা অশ্বিনীবাবু বাসায় চলছেন, সঙ্গে সেদিন অপর কোনো ছিলেন না। সেদিন বক্তৃতার বিষয় ছিল সত্য(১৯৮৯ সাল)।

রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে তিনি ভাবছেন এইতো আজ বক্তৃতা দিয়ে এলুম, আমাদের সকলকে সত্যবাদী হতে হবে, সত্যকে অবলম্বন করেই আমাদের কর্মের পথে অগ্রসর হত হবে। কিন্তু কাল court-এ গিয়ে আমাকেই আবার মিথ্যা নিয়ে দাড়াতে হবে, বিবেকের অনিচ্ছায়ও মিথ্যাকে সমর্থন করে court -এ বক্তৃতা করতে হবে।…

বিস্তারিত

বিপ্লবী মুকুন্দদাস : শেখ রফিক

ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে, মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।। তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং/ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে। দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী, আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।। সাজ রে সন্তান হিন্দু মুসলমান/থাকে থাকিবে প্রাণ না হয় যাইবে প্রাণ।। লইয়ে কৃপাণ হও রে আগুয়ান, নিতে হয় মুকুন্দে-রে নিও রে সঙ্গে।।

যারা গান বা বক্তৃতা দ্বারা দেশের জাগরণ আনতে চেষ্টা করেন তারা সকলেই চারণআপনি, আমি, আমরা সবাই চারণ, তবে আপনি আমাদের সম্রাটঅর্থাৎ চারণসম্রাটবাংলা মায়ের দামাল ছেলে চারণকবি মুকুন্দদাসবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মুকুন্দদাসের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে (সরাসরি সাক্ষাতে) বলেছিলেন।…

বিস্তারিত

বিপ্লবী সাহিত্যিক সোমেন চন্দ : শেখ রফিক

সোমেন চন্দ। বাংলা সাহিত্যের তিন উদীয়মান তরুণ সাহিত্যিকের একজন। সুকান্ত কবি হিসেবে আর সোমেন চন্দ আধুনিক কথাশিল্পের স্থপতি হিসেবে এবং খান মোহাম্মদ ফারাবী উভয়কেই ধারণ করে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই তিন সাহিত্যিকের কেউই ২২ বছরও বাঁচতে পারেননি। অর্থাৎ ২২ বছরের পূর্বে, ২১ শের ঘরে তাঁদের জীবনের সমাপ্তি ঘটে। সোমেন চন্দকে হত্যা করা হয়। আর অন্য দুজন মরণব্যাধী যক্ষা ও ক্যান্সারে মারা যান।…

বিস্তারিত

Kalpana Datta/ বিপ্লবী কল্পনা দত্ত : শেখ রফিক

১৯২৯ সালের মে মাসতখন মাষ্টার’দা সূর্যসেন চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক।  চট্টগ্রাম বিপ্লবী দলের উদ্যোগে সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জেলা রাজনৈতিক সম্মেলন, যুব সম্মেলন, ছাত্র-ছাত্রী সম্মেলন ও নারী সম্মেলন অনুষ্টিত হয়

মাষ্টার’দা সূর্যসেন ও তার সহযোগীদের পরিচালনায় চট্টগ্রাম জেলা রাজনৈতিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু। এই সম্মেলনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এক্যবদ্ধ হয়ে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।…

বিস্তারিত

এম. এন. রায়

পাখিরা যেমন বিস্তৃত সীমাহীন আকাশে পাখা মেলে স্বাধীনভাবে উড়ে বেড়ায়ঠিক তেমনি স্বাধীনভাবে মানুষও পাখির মতই বাঁচবেসেখানে থাকবে না কোনো শোষণ, বৈষম্য অন্যায়-অবিচার, থাকবে না কোনো ভৌগোলিক সীমারেখাসব মানুষের একটি দেশ থাকবে, যার নাম হবে সাম্য- ভালবাসার পৃথিবী এমন একটি মতাদর্শ যে মানুষটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেবার জন্য কখনো ইউরোপ, আমেরিকা, চীন, রাশিয়া কখনো বা এশিয়ার পথে পথে ঘুরে বেড়িয়েছেন সেই বিপ্লবীর নাম এম. এন. রায়

ভারত উপমহাদেশের…

বিস্তারিত
© 2017. All Rights Reserved. Developed by AM Julash.

Please publish modules in offcanvas position.