শত বিপ্লবীর কথা : মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
‘শত বিপ্লবীর কথা’ বইটি শেখ রফিকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে। একথা ঠিক যে, বিপ্লবীদের জীবন-সংগ্রাম নিয়ে লেখালেখি নানা স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। কিছু বিপ্লবী তাদের আত্মকথামূলক রচনাও রেখে গেছেন, যা বাংলার বিপ্লবী ইতিহাস চর্চার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবু দীর্ঘদিন পরে হলেও বাংলার শত বিপ্লবীর
শত বিপ্লবীর কথা : শহিদুল ইসলাম
ভোরের কাগজ / মুক্তচিন্তা : ০৭/০৫/২০১২ আমার যতোদূর মনে পড়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রথম বিপ্লবীর যে নামটি আমার কানে আসে, তিনি হলেন ক্ষুদিরাম। তারপর তো তার নামের সেই বিখ্যাত গানটি আমাদের কণ্ঠস্থ হয়ে যায়। এরপর যার নাম আমার কানে আসে তিনি হলেন সূর্যসেন। এরপর একে একে জগৎ সিং, প্রফুল্ল চাকী, সুভাষ চন্দ্র
মুক্তির সংগ্রামে যাঁরা শহীদ কেন ভুলে আছি তাঁদের : কামাল লোহানী
এদেশে, যদি ভারতবর্ষ উপমহাদেশটাকে ধরি, তবে যে বাংলার আমরা আগত বাসিন্দা ছিলাম, সেদিন তাকে বলা হলো রক্ত স্বাক্ষরের সিমন্তিনী বাংলা। শক্, হু্ন, মোগল, পাঠান কেনা এই ভারতকে দখল করে শাসন নিগড়ে বাঁধেনি। তেমনি মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এসেছিল ইংরেজ। প্রথমে বণিক হয়ে ব্যবসার লোভ মেটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল বটে,
রাজশাহী জেলের বীর শহীদদের পরিচিতি
কম্পরাম সিং দিনাজপুরের সর্বজন প্রিয় কৃষক নেতা, ঠাকুরগাঁও মহকুমার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে তার বাড়ী। ১৯২১-২২ সনে যুবক বয়স থেকেই রাজনৈতিক জীবন শুরু। ১৯৩০-৩২ সনে প্রথমবারের মত কারা বরণ করেন। ১৯৪৩ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সভ্য হন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর কৃষক আন্দোলন করার অপরাধে ১৯৪৮ সালের শেষভাগে গ্রেফতার
শহীদ কম্পরাম সিং : সত্যেন সেন
   দিনাজপুর জেলার লাহিড়ীহাটে মে দিবসের উৎসব। স্বাধীনতা লাভের বছর খানেক আগেকার কথা। দিনাজপুর শহর থেকে লাহিড়ীহাটে যেতে হলে ঠাকুরগাঁ হয়ে যেতে হয়। ঠাকুরগাঁর পরের ষ্টেশন আখানগর। আখানগর থেকে লাহিড়ীহাট পর্যন্ত বরাবর একটা কাঁচা রাস্তা চলে গিয়েছে। মাইল সাতেকের পথ। লাহিড়ীহাট নামকরা হাট। বহু দূর থেকে লোকেরা
বিপ্লবী কৃষক নেতা হাতেম আলী খানঃ শেখ রফিক
হাতেম আলী খানের পূর্বপুরুষদের বসবাস ছিল সিরাজগঞ্জের তেবাড়িয়ায়। ১৮৫৩ সালে তাঁর দাদা ঝোমর আলী খান সিরাজগঞ্জের তেবাড়িয়া ছেড়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বেলুয়া গ্রামে বসবাস শুরু করেন। নিজের বুদ্ধিমত্তা ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে ঝোমর আলী খান প্রায় একশ একর জমির মালিক হন এবং বেলুয়া
বিপ্লবী জসিমউদ্দীন মণ্ডল
জসিমউদ্দীন মণ্ডলের দাদাবাড়ি ছিলো নদীয়া জেলার হৃদয়পুর গ্রামে। ছেলেবেলায় সেই গ্রামে গরু চরাতে গিয়ে ঘুরতে ঘুরতে বহুদিন নীলকুঠির ভাঙাচোরা দালানের কাছাকাছি যেতেন। সেখানে কোনো গাছের ছায়ায় বসে গ্রামের বয়স্ক লোকদের কাছ থেকে কুঠিয়াল ইংরেজদের অত্যাচারের কাহিনী শুনতেন। নীল জিনিসটা কি, সেটা তিনি তখনো বুঝতেন
এম. এন. রায়: শেখ রফিক ও উদিতা
পাখিরা যেমন বিস্তৃত সীমাহীন আকাশে পাখা মেলে স্বাধীনভাবে উড়ে বেড়ায়। ঠিক তেমনি স্বাধীনভাবে মানুষও পাখির মতই বাঁচবে। সেখানে থাকবে না কোনো শোষণ, বৈষম্য অন্যায়-অবিচার, থাকবে না কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা। সব মানুষের একটি দেশ থাকবে, যার নাম হবে “সাম্য- ভালবাসার পৃথিবী। এমন একটি মতাদর্শ যে মানুষটি সারা
বিপ্লবী প্রজন্মের প্রতিভূ কমরেড বারীন দত্ত স্মরণে: এম.এম.আকাশ
“বিপ্লবী প্রজন্মের” এমন কয়েকজনের জন্মশতবার্ষিকী বিপ্লবীদের কথা পালন করছে যাদের সকলের জন্ম হয়েছিল এক শত বছর আগে। অর্থাৎ ১৯১১ সালের বিভিন্ন মাসে। আমার উপর তাঁদের মধ্যে যার সম্পর্কে আলোচনার দায়িত্ব বর্তিয়েছে তিনি হচ্ছেন আমাদের সকলের পরিচিত কমরেড আবদুস সালাম বা সালাম ভাই। যদিও এটি তাঁর আসল নাম নয়।
বিপ্লবী দীনেশ এবং আমাদের দীনতা: শাহীন রহমান
১৯৩১ সালের ৭ জুলাইয়ের ভোরবেলা। প্রকৃতি তখন রাতের গভীর অন্ধকার কাটিয়ে দিনের আলোয় উদ্ভাসিত হবার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। একটি নূতন দিনের প্রভাত জীবনের কলরবে মুখর হবার প্রতীক্ষায়। ঠিক সেই ক্ষণে মাত্র ১৯ বছরের এক তরতাজা তরুণ প্রাণ স্নান শেষে জীবনকে বিদায় জানাতে নিঃশঙ্ক চিত্তে ফাঁসীর মঞ্চে এগিয়ে গেলেন। হাসি

প্রীতিলতাঃ শেখ রফিক

Read more...১৯২৪ সালের কথাদিনটির কথা কারো মনে নেই। খুব সম্ভবত জুলাই-আগস্ট মাসের কোনো একদিন। ঝাপসা গরম। আকাশে মেঘ জমেছে। যেকোনো সময় বৃষ্টি আসতে পারে। সন্ধার কিছুক্ষণ পরে ভাই-বোনরা সবাই মিলে পড়তে বসেছে। প্রীতিলতা তখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে সবাই পড়ছে। শুধু থেমে আছে মধুসূদনমধুসূদন প্রীতিলতার বড় দা। বড় দা পড়া না শুনতে পেয়ে তার দিকে তাকালো প্রীতিলতাবড় দা মধুসূদন বোনের মুখের দিক তাকিয়ে হঠাৎ বলে উঠলো_ আজ রেল শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন দেয়ার জন্য বিপুল অংকের টাকা ব্রিটিশ কর্মচারীরা ঘোড়ার গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেছিল ওই গাড়িতে দুজন পুলিশও ছিলকিন্তু হঠাৎ দিনের বেলায় বড় রাস্তায় ধারে চারজন লোক পিস্তল হাতে সামনে দাড়িয়ে গাড়ি থামালোতারা গাড়ি থেকে সবাইকে নামিয়ে দিয়ে টাকাসহ গাড়ি নিয়ে চম্পট

Read more: প্রীতিলতাঃ শেখ রফিক

 

জন্ম-মৃত্যু

Thursday, 19 May 2011
মহাবীর সিং

ব্রিটিশ তাকে কালাপানি, আন্দামান, দ্বীপান্তর পাঠিয়েছে_এই কথাগুলো এক সময় মানুষের মনে প্রচণ্ড ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। কারণ এখানে গেলে কেউ আর কোনো দিন তার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারতো না। কালাপানি, আন্দামান, দ্বীপান্তর এই তিনটি শব্দ দিয়ে মূলত: আন্দামান সেলুলার জেলকেবুঝানো হয়েছে। এটা ছিল ব্রিটিশদের তৈরী করা দ্বিতীয় মৃত্যুকূপ। খোপ খোপ করা বিশাল এক কারাগার। দুর্ধর্ষ, সশস্ত্র বিপ্লববাদী বন্দীদের পিষে মারার জন্য এখানে পাঠানো হতো।

ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী ভারত উপমহাদেশের মানুষকে শাসন করার জন্য শুরু থেকেই নানারকমের দমননীতির আশ্রয় নেয়। এর মধ্যে জেলখানাগুলো ছিল তাদের এই দমননীতির প্রধান হাতিয়ার। আর আন্দামান সেলুলার জেল ছিল সবচেয়ে ভয়ংকার জেল। এক কথায় বলা যায়, মৃত্যু ফাঁদ।

সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ সরকার সিদান্ত নিয়েছিল যে, যারা সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে ব্রিটিশ-শাসনকে উচ্ছেদ করতে চাইবে, তাদের মধ্য যারা ফাঁসিরকাষ্ঠ থেকে রেহাই পাবে তাদের সকলকে আন্দামানে পাঠানো হবে। বিংশ শতাব্দীতেও তাদের এই সিদান্ত বহাল ছিল। বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার ফাঁসিরকাষ্ঠ থেকে রেহাই পাওয়া প্রায় সকল সশস্ত্র বিপ্লবীকে আন্দামানে পাঠায়। এ সমস্ত বিপ্লবীদের মধ্যে বরিশালের মহাবীর সিং অন্যতম।

আন্দামান দ্বীপান্তর গিয়ে মহাবীর সিং জেলখানার মধ্যে সকল বন্দীকে সংঘবদ্ধ করে জেল প্রশাসন ও ব্রিটিশের বিরুদ্ধে আমরণ অনশন করেন। আন্দামান বন্দীরা প্রথম অনশন শুরু করেন ১৯৩৩ সালের ১১ মে। এই অনশন দীর্ঘ ৩৭ দিন ব্যাপী চলেছিল। তখন এই অনশনের মূল দাবী ছিল খাদ্যের মান-উন্নয়নসহ বন্দীদের মর্যাদা দেয়া। ৩৭ দিনের এ অনশনে ৩ জন বিপ্লবীর মৃত্যু হয়।

এ অনশনের ৭ দিনের দিন ১৭ মে মহাবীর সিং (লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা) প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েন। তবুও কোনো খাবার গ্রহণ করলেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে কারা কর্তৃপক্ষ জোর করে হাত-পা বেঁধে নাকে নল ঢুকিয়ে দুধ খাইয়ে দেয়। ওই দুধ ফুসফুসে চলে যাওয়ার কারণে তিনি ১৮ মে মারা যান। একইভাবে একই কারণে ১২ দিন পর ২৩ মে মোহিত মিত্র (অস্ত্র আইন মামলা) ও ১৩ দিনের দিন ২৪ মে সকাল বেলা মোহন দাস (ময়মনসিংহ ষড়যন্ত্র মামলা) মারা যান। ৩৭ দিনের শেষে এক পর্যায়ে ব্রিটিশ সরকার বাধ্য হয়ে জেল কোড আইন অনুসারে বেঁচে থাকার জন্য নূন্যতম পরিবেশ নিশ্চিত করে।


View all events.

ভিজিটর পরিসংখ্যান

mod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_counter
mod_vvisit_counterআজকের ভিজিটর সংখ্যা97
mod_vvisit_counterগতকালের ভিজিটর সংখ্যা360
mod_vvisit_counterএই সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা97
mod_vvisit_counterগত সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা3108
mod_vvisit_counterএই মাসের ভিজিটর সংখ্যা10278
mod_vvisit_counterগত মাসের ভিজিটর সংখ্যা16253
mod_vvisit_counterসর্বমোট ভিজিটর446207

We have: 3 guests, 1 bots online
Your IP: 38.107.179.229
 , 
Today: May 20, 2012

যাঁরা সহযোগিতা করেছেন

অনুপ গুহ ঠাকুরতা

ড: অনন্য রায়হান

লেলিন চৌধুরী

খোদাদাদ আহমেদ

শংকর সাওজাল

মাহাবুব জামান

যতীন সরকার

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

জসিমউদ্দিন মন্ডল

Normal 0 false false false EN-US X-NONE X-NONE MicrosoftInternetExplorer4

বিপ্লবী বুলি

আমি স্বদেশকে মা বলিয়া জানি, ভক্তি করি, পূজা করিমার বুকের উপর বসিয়া যদি একটা রাক্ষস রক্তপানে উদ্যত, তাহা হইলে ছেলে কি করে? নিশ্চিন্তবোধে আহার করিতে বসে? স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে আমোদ করিতে বসে? না, মাকে উদ্ধার করিতে পৌরোহিত্য করে?---অরবিন্দ ঘোষ।


আরও পড়ুন

  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8